প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
নোয়াখালীর হাতিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মো. কাশেম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। হত্যার পর অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি স্ত্রীর মরদেহটি বাড়ির পাশের একটি শুকনো গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে গেছেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) ভোরে সোনাদিয়া ইউনিয়নের চরচেঙ্গা মাইজছড়া এলাকা থেকে পুলিশ রোকসানা (২৫) নামে ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন রোববার (১৮ অক্টোবর) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নিহত রোকসানা সোনাদিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোকসানা ও কাশেমের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঝগড়া-বিবাদ চলছিল। শুক্রবার দিবাগত রাতে তাদের মধ্যে আবারও ঝগড়া হয়, এ সময় কাশেম তার স্ত্রীকে মারধর করেন। পরদিন সকালে স্থানীয়রা রোকসানার মরদেহ বাড়ির পাশের শুকনো গাছের সঙ্গে ঝুলে থাকতে দেখে।
শনিবার ভোর আনুমানিক ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে স্থানীয়রা রোকসানাকে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে জাহাজমারা তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে হাতিয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর থেকে রোকসানার স্বামী মো. কাশেম পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মেহেরাজ ও মিষ্টু জানান, এর আগে রড দিয়ে আঘাত করার কারণে রোকসানার চার মাসের গর্ভের সন্তান মারা যায়। তারা বলেন, "আমাদের এলাকায় এভাবে চারজন গৃহবধূকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখার ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা জানি। পরে টাকা দিয়ে বিষয়গুলো মীমাংসা করা হয়। এসব ঘটনায় কাউকে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা গেলে হয়তো এমন ঘটনা আর ঘটত না। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন