প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা, জেলা তাঁতীলীগের সাবেক আহ্বায়ক ও রায়পুরা উপজেলার অলিপুরা ইউনিয়ন পরিষদের একজন একাধিকবারের সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহম্মেদ দুলু আজীবন বিএনপি করে মরতে চান বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে রায়পুরা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় এই ঘোষণা দেন।
এ সময় তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে আরও জানান, দুইবার তাঁকে রাজু সাহেব (আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক এমপি ও মন্ত্রী) জোর করে ফেল করে এবং তাঁকে হয়রানি করেছে। তাঁকে নির্বাচন অফিসে আটকিয়ে রাখা হয়েছে এবং অনেকভাবে তাঁকে হয়রানি করা হয়েছে। তিনি বলেন, "আমি কিন্তু কোনো দল করি নাই। আমি আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিলাম।"
আলী আহম্মেদ দুলু উল্লেখ করেন, তিনি একসময় ছাত্রদল করতেন। ৮১ সাল থেকে ছাত্রদল করতে গিয়ে যখন তিনি চেয়ারম্যান হন, তখন যে দল ক্ষমতায় আসে, সেই দলের সাথে তিনি ব্যালেন্স করে চলে আসেন। তবে তাঁর দাবি, তিনি মূলত ছোটবেলা থেকেই বিএনপি করতেন। তাঁর এলাকায় থাকা ভাইয়েরা সকলেই বিএনপির লোক।
তিনি জানান, গত ফেব্রুয়ারির ২ তারিখ খোকন ভাইয়ের কথা অনুযায়ী— খোকন ভাইয়ের মাধ্যমে তিনি বিএনপিতে যোগদান করেছেন। আগের সব কিছু ছাইড়া দিয়ে, কোন কথাই বলুক না কেন। তবে যোগ দেওয়ার পরে তিনি প্রেস ক্লাবে কিছু জানাননি। এ কারণে আজকে তাঁর সেই খাইরুল কবির খোকন ভাই, যিনি নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি, তাঁকে অনুমতি দিয়েছেন যে, তিনি তাঁর এলাকায় একটি প্রেস ক্লাবে, সাংবাদিকদের সাথে একটি আলোচনা সভা করতে পারেন। সেই লক্ষ্যে তাঁর এই আজকের সাংবাদিক সম্মেলন।
তিনি আরও বলেন, "অরিজিনালি আমি বিএনপিতে ছিলাম, আমি ছাত্রদল করেছিলাম। এখন আমি আমার ঘরে ফিরে আসছি। এই বিএনপিতে আজকে আবার নতুন করে প্রেস ক্লাবের মাধ্যমে, সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে বিএনপিতে পুরোপুরিভাবে যোগদান করলাম। আজকে থেকে আমি সকল এমপি মন্ত্রীদের সাথে ফুল নিয়ে দেখা করব। বিএনপি করেছিলাম, বিএনপিতে এসেছি এবং বাকি জীবন বিএনপি করেই আমি থাকতে চাই।"
তার এই বক্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে সমালোচনার ঝড়। স্থানীয়দের মতে, আলী আহমেদ দুলু আগে জাতীয় পার্টির রাজনীতি করতেন। পরে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তিনি নিজেকে আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। আওয়ামী লীগের পরিচয় ব্যবহার করে তিনি একাধিকবার চেয়ারম্যান নির্বাচন করাসহ দল থেকে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা লাভ করেন। এ ছাড়াও তিনি জেলা তাঁতীলীগের সাবেক আহ্বায়ক এবং জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পদও हासिल করেছেন এবং বর্তমানে বহাল রয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন