প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ আলড্রিচ মন্তব্য করেছেন যে, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে একটি নির্বাচিত সরকার দেশের শাসন পরিচালনা করছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের পাশে রয়েছে এবং যে কোনো সহায়তা দিতে প্রস্তুত।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে গত ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সারাহ আলড্রিচ এই তথ্য তুলে ধরেন। তিনি এই সময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থী ও জনতার আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
সারাহ আলড্রিচ আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বিভিন্ন জটিলতা অতিক্রম করে অন্তর্বর্তী সরকার অল্প সময়ের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করেছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দৃঢ় হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে আগ্রহী। তিনি জুলাইয়ের চেতনায় দেশের কৃষি, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক খাতে উন্নতির আহ্বান জানান। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য তিনি শুভকামনা জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আটলান্টিক কাউন্সিলের সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের তরুণ জেন-জিরা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে পরিবর্তনের সূচনা করেছেন, তা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এই দিক থেকে বাংলাদেশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনা, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে গুণগত পরিবর্তন এবং বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে জীবনদানকারী শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এছাড়া, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র ‘জুলাইকন্যা’ প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও অন্যান্য সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন