প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তের মাধ্যমে পুশইনের প্রয়াসে থাকা ৩ ভারতীয় নারীকে ফেরত নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এই ঘটনার পর বাংলাদেশ অংশে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্তে টহল অনেক বেশি জোরদার করেছে। এর বদলে বিএসএফের অতিরিক্ত সদস্যদের ভারতের অংশে অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
শনিবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার গোলাপাড়া গ্রামে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া-সংলগ্ন বাতি নিভিয়ে, বিএসএফ ৩ নারীকে শূন্যরেখা থেকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
বিজিবি ৬১ ব্যাটালিয়নের (তিস্তা-২) সহকারী পরিচালক (এডি-অবস) কারিমুল ইসলাম জানান, হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় ৩ নারীকে বিএসএফ ফেরত নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের ষোলঘড়িয়া গ্রামের সীমান্ত এলাকায় প্রধান পিলার ৮৩৪-এর ১ নম্বর উপপিলারের বিপরীতে গোলাপাড়া গ্রামের সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া-সংলগ্ন বাতি নিভিয়ে দেয় বিএসএফ। সেই মুহূর্তে পুশইনের চেষ্টা করা ৩ নারীকে শূন্যরেখা থেকে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায় বিএসএফ।
বিজিবি জানায়, বিএসএফ ৩ নারীকে পুশইনের প্রচেষ্টা চালায়। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় ওই তিন নারকে পুনরায় ভারতের শূন্যরেখায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার ফলে ভারতের ১০০ গজ অভ্যন্তরে শূন্যরেখায় প্রায় ২২ ঘণ্টা তারা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করতে বাধ্য হন।
ঘটনার পর গতকাল দুপুর ১টায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান পিলার ৮৩৩-এর ৮ নম্বর উপপিলার এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে একটি টহল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন খড়খড়িয়া বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ড্যান্টসহ ৬ জন এবং ধবলসূতি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার জুবায়ের হোসেনসহ ৬ জন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন