প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ অভিযোগ করেছেন যে, জামায়াত ও এনসিপি হকার ও অটোরিকশা চালকদের আন্দোলনে পেছন থেকে উসকানি দিচ্ছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই বক্তব্য তুলে ধরেন।
আবু হানিফ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, শহরের রাস্তায় অটোরিকশা এবং ফুটপাতের হকার উভয়ই বর্তমানে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু যখন এগুলো নিয়মের বাইরে চলে যায়, তখন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়ে যায়।
অটোরিকশাগুলি যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে যায়, যাত্রীরা ওঠানামা করে এবং কখনো কখনো উল্টো দিকেও চলে যায়। এর ফলে যানজট বৃদ্ধি পায়, রাস্তায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়।
অন্যদিকে, ফুটপাত দখল করে দোকান বসানোর কারণে পথচারীদের হাঁটার জন্য জায়গা থাকে না। অনেককে বাধ্য হয়ে মূল সড়কে হাঁটতে হয়। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা যেমন বাড়ে, তেমনি যানজট ও জনদুর্ভোগও বৃদ্ধি পায়।
এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জনগণের দাবি উঠেছে। সরকার যখন সেই দাবি এবং জনদুর্ভোগের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে কাজ শুরু করেছে, তখনই দেখা গেছে হকার এবং অটোরিকশা চালকরা আন্দোলনে নেমেছে। গত কয়েকদিন আগে মিরপুরে হকার উচ্ছেদ করতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলা চালায় হকাররা। সেখানে জামায়াত হকারদের পক্ষে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত সোমবার অটোরিকশা চালকরা রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন করেছে এবং তারা বাসচালকসহ অনেকের উপর হামলা করেছে। এখানে জামায়াত অটোরিকশা চালকদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এসব আন্দোলনে জামায়াত পেছন থেকে উসকানি দিচ্ছে। শুধু জামায়াত নয়, অটোরিকশা চালকদের আন্দোলনে জামায়াতের শিশু সংগঠন এনসিপির শ্রমিকশক্তি যুক্ত হয়েছে এবং এই শ্রমিকশক্তির ব্যানারে দেশের বিভিন্ন এলাকার পলাতক নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের কর্মীরা একত্রিত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন আন্দোলনে উসকানি দিয়ে পরিকল্পিত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং সরকারকে বেকায়দায় ফেলা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন