প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, মানবমস্তিষ্ক মূলত দুটি পৃথক ও স্বাধীন স্নায়ুতন্ত্র বা অঙ্গের সমষ্টি হিসেবে গঠিত। এই তথ্যটি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের একটি গবেষণায় উদ্ঘাটিত হয়েছে।
গবেষকরা উল্লেখ করেছেন যে, ৫০ কোটি বছর আগে প্রাণীদের মধ্যে পৃথক স্নায়ুতন্ত্র বিদ্যমান ছিল, যা বর্তমানে প্রায় একত্রিত হয়ে কাজ করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন যে মানবমস্তিষ্ক আসলে একটি নয়, বরং দুটি আলাদা অঙ্গের সমষ্টি। এই আবিষ্কারটি আলঝেইমার্স বা এএলএসের মতো গুরুতর রোগের চিকিৎসার গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মস্তিষ্কের প্রাথমিক বিকাশের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা একটি নতুন মোড় উন্মোচন করেছেন, যা গবেষকদের জন্য ধ্বংসাত্মক কিছু রোগ নিয়ে নতুন গবেষণার পথ খুলে দিতে পারে। বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী নেচার-এ গত শুক্রবার প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মস্তিষ্ক মূলত দুটি পৃথক স্নায়ুতন্ত্র নিয়ে গঠিত, যা আলাদাভাবে বিকশিত হয়।
প্রথমত, মস্তিষ্কের পেছনের অংশটি কিছুটা প্রাচীন, যাকে বলা হয় ‘হিন্দব্রেন’ বা পশ্চাৎ-মস্তিষ্ক। এছাড়াও রয়েছে অগ্র-মস্তিষ্ক (ফোরব্রেন) ও মধ্য-মস্তিষ্ক (মিডব্রেন)—যা আমাদের উচ্চমানের চিন্তা করতে শেখায় এবং কবিতা লেখা, গণিত কষা বা নিজেদের উৎপত্তি নিয়ে কৌতূহলী হওয়ার মতো বিষয়গুলোর মাধ্যমে আমাদের অন্য প্রাণীদের থেকে আলাদা মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।
এই আবিষ্কার গবেষকদের প্রথমবারের মতো গবেষণাগারে একটি বিশেষ ধরনের মস্তিষ্ক কোষ তৈরি করতে সহায়তা করেছে। এই সাফল্য স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রোফি (এসএমএ), অ্যামায়োট্রফিক ল্যাটারাল স্ক্লেরোসিস (এএলএস) এবং ব্রেন স্টেমকে আক্রান্ত করে এমন অন্যান্য মারাত্মক রোগের গবেষণার গতি বাড়াতে সাহায্য করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন