প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বারা প্রদত্ত দূরদর্শী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও দিকনির্দেশনামূলক ভাষণের জন্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক অভিনন্দনবার্তায় উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, জনগণের আকাঙ্ক্ষা এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে দেশের সুনির্দিষ্ট অবস্থান স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। তিনি বলেন, এই ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও মর্যাদাকে আরও শক্তিশালী করবে।
রাষ্ট্রপতি অভিনন্দনবার্তায় আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটানোর পর দেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা হয়েছে। ভাষণে দেশের পুনর্গঠনে সরকারের ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’ (থ্রি-আর) কৌশলের কথাও প্রাধান্য পেয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বিশ্বশান্তি, বহুপাক্ষিকতা, ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক মুদ্রাস্ফীতির মতো বৈশ্বিক ইস্যুগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, একই সঙ্গে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার যে আহ্বান তিনি জানিয়েছেন, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘সবার আগে বাংলাদেশ: সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রত্যয়ের প্রশংসা করে বলেন, এতে জনগণের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ইচ্ছা প্রতিফলিত হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে তারেক রহমানের বিশ্বমঞ্চে ভাষণ দেওয়াকে তিনি জাতির জন্য এক ঐতিহাসিক গৌরব হিসেবে বর্ণনা করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন