প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বাংলাদেশে মৎস্য খাতের টেকসই উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে নেদারল্যান্ডস।
আজ ময়মনসিংহের তারাকান্দায় ‘ফুডটেকবাংলাদেশ’ কর্মসূচির আওতায় অ্যাকুয়াকালচার সেন্টার অব এক্সিলেন্স (সিওই) উদ্বোধনকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল এ ঘোষণা দিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মো. খালেদ কনক। এছাড়া বাংলাদেশের মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম, মৎস্য অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগের পরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, এবং ফিশটেক (বিডি) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আতাউল করিম ভূঁইয়াসহ অন্যান্য গুণী মালিকানা অতিথিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফিশটেক (বিডি) লিমিটেডের চেয়ারম্যান খন্দকার ফারহাদ হোসেন, যেখানে বিভিন্ন খাতের প্রায় ২০০ জন প্রতিনিধি এতে অংশগ্রহণ করেন।
রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল অনুষ্ঠানে বলেন, ‘ফুডটেকবাংলাদেশ’ বাংলাদেশে ডাচ ডায়মন্ড অ্যাপ্রোচ বাস্তবায়নের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
তিনি বলেন, ‘এই সেন্টার অব এক্সিলেন্স প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কৃষকরা আধুনিক মৎস্যচাষ প্রযুক্তি সম্পর্কে আরও ব্যাপকভাবে জানতে ও তা গ্রহণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে এবং খাতটির দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।’
পাতার পাতায়, রাষ্ট্রদূত বলেন, গত কয়েক বছর ধরে নেদারল্যান্ডস গর্বের সঙ্গে এ উদ্যোগে সহযোগিতা দিয়ে আসছে।
ড. মো. খালেদ কনক মন্তব্য করেন, সীমিত জমি ব্যবহার করেও উচ্চ উৎপাদনশীলতা অর্জন সম্ভব। এ ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডস একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
তিনি বলেন, সরকারী সহায়তার পাশাপাশি উপযুক্ত প্রযুক্তির সমন্বয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
কর্মসূচি শুরুর পর থেকে ‘ফুডটেকবাংলাদেশ’ ৬০টিরও বেশি বাণিজ্যিক পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। অনলাইনে ৮০০ জনের বেশি ও সরাসরি প্রায় ৬০০ জন কৃষককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এর মাধ্যমে কারিগরি জ্ঞান বৃদ্ধি এবং টেকসই মৎস্যচাষ পদ্ধতির প্রসারে সহায়তা করা হয়েছে।
‘ফুডটেকবাংলাদেশ’ ২০২২ সালে চালু হয়েছে, যা একটি পাঁচ বছর মেয়াদি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বভিত্তিক কর্মসূচি। বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের যৌথ অর্থায়নে এটি বাস্তবায়ন করছে লারিভ ইন্টারন্যাশনাল এবং লাইটক্যাসল পার্টনার্স।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন