প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন সকল কোম্পানির জন্য তৈরি অভিন্ন চাকরিবিধি সংশোধন এবং আধুনিকীকরণের উদ্দেশ্যে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স-২ শাখা থেকে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে, যেখানে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। এই আদেশে স্বাক্ষর করেন বিভাগের উপসচিব মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটিতে বিদ্যুৎ বিভাগের কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স, উন্নয়ন-১, পলিসি রিফর্ম ও সমন্বয় অধিশাখার যুগ্মসচিব এবং পাওয়ার সেলের মহাপরিচালককে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) এবং বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) পরিচালক পর্যায়ের একজন করে প্রতিনিধি কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন। পিজিসিবি, ডিপিডিসি, ডেসকো, নেসকো, ওজোপাডিকো, নওপাজেকো, ইজিসিবি, সিপিজিসিবিএল, বিআরপিএল, এপিসিএল এবং আরপিসিএলের নির্বাহী পরিচালক পর্যায়ের একজন করে প্রতিনিধিকেও সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিদ্যুৎ বিভাগের কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স-১ শাখার উপসচিব।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন কোম্পানিগুলোর জন্য প্রণীত ‘ইউনিফাইড সার্ভিস গাইডলাইনস্, ২০১৬’ সংশোধনের উদ্দেশ্যে কোম্পানি আইন-১৯৪ এবং সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান পর্যালোচনা করবে কমিটি। পর্যালোচনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পরিমার্জনের বিষয়ে সুপারিশ প্রদান করতে হবে।
এছাড়া, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করে ২০১৬ সালের গাইডলাইনটি সময়োপযোগী করার বিষয়েও কমিটিকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে উপযুক্ত বিশেষজ্ঞকে কমিটিতে কো-অপ্ট করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন কোম্পানির চাকরির শর্ত, সুযোগ-সুবিধা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সামঞ্জস্য আনতে অভিন্ন চাকরিবিধি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন আইন, বিধি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় পরিবর্তন আসায় ২০১৬ সালের গাইডলাইন পর্যালোচনা ও সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন