প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ফরোয়ার্ড জামিন্তন কাম্পাস প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন বলে জানিয়েছে কলম্বিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এফসিএফ)। এফসিএফ একই সঙ্গে এসব হুমকির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
গত শুক্রবার (১০ জুলাই) এক বিবৃতিতে এফসিএফ বলেছে, 'নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করার কারণে কোনো খেলোয়াড় বা তার পরিবারের কাউকেই ভয়ভীতি কিংবা হুমকির মুখে পড়তে হওয়া উচিত নয়।'
গত মঙ্গলবার (৬ জুলাই) শেষ ষোলোর ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের কাছে টাইব্রেকারে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় কলম্বিয়া। অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টাইন ক্লাব রোসারিও সেন্ট্রালের হয়ে খেলা কাম্পাস একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ নষ্ট করেছেন। তার নেওয়া শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
এরপর হতাশায় মুখ ঢেকে রাখা নিজের একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন কাম্পাস। তিনি সম্মান বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে লেখেন, 'ফুটবলে কঠিন মুহূর্তও থাকে। আমার কলম্বিয়া, অনুগ্রহ করে আমরা যেন কখনো সম্মানবোধ হারিয়ে না ফেলি। আমাদের মতভেদ থাকতে পারে, হতাশা বা দুঃখও থাকতে পারে। কিন্তু কোনো আবেগই ঘৃণা ছড়ানো বা কাউকে ভয়ের মধ্যে বাঁচতে বাধ্য করার অজুহাত হতে পারে না।'
হয়রানির ঘটনার পর কলম্বিয়ান ফুটবল ফেডারেশন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়কে দ্রুত তদন্ত করে হুমকিদাতাদের শনাক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে।
ফেডারেশন আরও বলেছে, 'ফুটবল হওয়া উচিত ঐক্য, সম্মান ও আশার প্রতীক; কখনোই ঘৃণা, ভয়ভীতি বা সহিংসতার ক্ষেত্র নয়।' পাশাপাশি সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, মাঠের হতাশা যেন কখনো বাস্তব জীবনের সহিংসতায় রূপ না নেয়।
এই ঘটনাটি কলম্বিয়ার ফুটবল ইতিহাসের এক বেদনাদায়ক অধ্যায়ের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ২-১ গোলে হারের ম্যাচে আত্মঘাতী গোল করেছিলেন ডিফেন্ডার আন্দ্রেস এস্কোবার। বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়ে দেশে ফেরার কয়েক দিনের মধ্যেই মেডেলিনে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন