প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সরকার খুচরা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বৃদ্ধি করেছে। নতুন মূল্য সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ডিজেলের দাম ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাংলাদেশের জ্বালানি তেলের দাম প্রতিবেশী দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে কিছু পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান ও পাকিস্তানে সাম্প্রতিক সময়ে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম নিচে তুলে ধরা হলো।
ভারত
ভারতে জ্বালানি তেলের দাম রাজ্য ও শহরভেদে ভিন্ন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কলকাতায় প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১১৩ দশমিক ৫১ ভারতীয় রুপি এবং ডিজেলের দাম ৯৯ দশমিক ৮২ রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য আনুমানিক ১৪৫ টাকা ও ১২৮ টাকা।
অর্থাৎ, কলকাতায় ডিজেলের দাম বাংলাদেশের বর্তমান দামের তুলনায় কিছুটা কম। অন্যদিকে, পেট্রোলের দাম বাংলাদেশের চেয়ে কম।
মিয়ানমার
মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে সর্বশেষ সরকারি রেফারেন্স অনুযায়ী, প্রতি লিটার অকটেনের দাম ৩ হাজার ৯৩০ কিয়াত এবং ডিজেলের দাম ৪ হাজার ২৫৫ কিয়াত। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য আনুমানিক ২৩০ টাকা ও ২৪৯ টাকা।
এই হিসাবে, মিয়ানমারে অকটেন ও ডিজেল দুই ধরনের জ্বালানির দামই বাংলাদেশের তুলনায় বেশি।
নেপাল
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে প্রতি লিটার পেট্রোল ও ডিজেলের দাম ২০০ নেপালি রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য প্রায় ১৬২ টাকা।
তবে, দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহন ব্যয়ের পার্থক্যের কারণে জ্বালানি তেলের খুচরা দামে কিছুটা তারতম্য রয়েছে।
ভুটান
ভুটানে সর্বশেষ পাওয়া দামে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ৯৯ দশমিক ০৫ ভারতীয় রুপি এবং ডিজেলের দাম ১০৪ দশমিক ৩৮ রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য আনুমানিক ১২৭ টাকা ও ১৩৪ টাকা।
অর্থাৎ, ভুটানে পেট্রোলের দাম বাংলাদেশের তুলনায় কম হলেও ডিজেলের দাম বাংলাদেশের বর্তমান দামের কাছাকাছি।
পাকিস্তান
পাকিস্তানে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ৩৮৯ দশমিক ১৪ পাকিস্তানি রুপি এবং হাই-স্পিড ডিজেলের দাম ৪২৪ দশমিক ০৪ রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এগুলোর মূল্য আনুমানিক ১৭২ টাকা ও ১৮৮ টাকা।
এই হিসাবে, পাকিস্তানে পেট্রোল ও ডিজেল দুই ধরনের জ্বালানির দামই বাংলাদেশের বর্তমান দামের চেয়ে বেশি।
দামের পার্থক্যের কারণ
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ভোক্তা পর্যায়ের চূড়ান্ত মূল্যের একটি অংশ মাত্র। কর ও শুল্ক, মুদ্রার বিনিময় হার, আমদানি ও পরিবহন ব্যয় এবং সরকারের মূল্য নির্ধারণের নীতির কারণে দেশভেদে জ্বালানি তেলের দামে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য তৈরি হয়।
ফলে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম একই হলেও বিভিন্ন দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম এক নাও হতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি, বার্মা নিউজ, অর্থকেন্দ্রা, জিও নিউজ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন