প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তি আবেদনের ফল বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় প্রকাশিত হবে। আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির ১৪ সেপ্টেম্বরের একটি চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের অনলাইন আবেদন গ্রহণ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আজ রাত ৮টায় আবেদনকারীদের মধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিত করার জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে। ভর্তি নিশ্চায়নের জন্য ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়সীমার মধ্যে নিশ্চিতকরণ না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশিত হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হওয়ার তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কোনো ধরনের বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে কলেজে ভর্তি করা হবে।
এবার কলেজগুলোর মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। অবশিষ্ট ৭ শতাংশ আসন বিভিন্ন কোটায় সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর মধ্যে ৫ শতাংশ আসন মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য এবং ২ শতাংশ আসন শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা গেজেটের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে এবং ভর্তি হওয়ার সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা সনদ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করে ভর্তি সম্পন্ন করার নির্দেশনা রয়েছে।
নীতিমালায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কোটার আসন খালি রাখা যাবে না এবং মেধাতালিকা থেকে ওই আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে।
অন্যদিকে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর বা সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ আসন রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে সংশ্লিষ্ট কোটার প্রার্থীদের মধ্য থেকেই মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।
উল্লেখ্য, এই কোটাপদ্ধতি শুধুমাত্র ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন