৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ ইং সন্ধ্যা ৭:৪৬
ব্রেকিং নিউজ
ভোলায় শ্রেষ্ঠ সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় কামাল হোসেনকে সংবর্ধনা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের জন্ম-ভোলায় তোফায়েল আহমেদ  নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালিত বোরহানউদ্দিনে মাদকাসক্ত সন্ত্রাসী মাসুমের খুঁটির জোর কোথায় বোরহানউদ্দিনে পুলিশকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে চেয়ারম্যান কর্তৃক রাতের আঁধারে জমি দখলের অভিযোগ ভোলায় ইয়াবা ব্যবসা করে কোটিপতি সাংবাদিক জাকির চরফ্যাশনে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে নির্যাতন চালিয়েছে পাষন্ড স্বামী ভোলায় সাংবাদিকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দৌলতখানে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখল করে নিচ্ছে ভূমিদস্যুারা

সাতপোয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম নৌকা প্রতিকে চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশী

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, March 28, 2021,
  • 546 Time View
মাসুদুর রহমান – জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে জাতীয়াবাদী যুবদল থেকে আওয়ামীলীগ এ যোগ দেওয়া রফিকুল ইসলাম মাষ্টার ১ নং  সাতপোয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়েছেন ।  এ নিয়ে স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও ভোটারদের মধ্যে  নানা সমালোচনার গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে। রফিকুল ইসলাম মাষ্টার ১৯৯৮ সাল থেকে সাতপোয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদ পায়। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগের অনেক নেতা কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়। ২০০৫ সালে  ইসলামী সভা বন্ধ করে দেয়। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীমকে নির্বাচিত করার জন্য চর ছাতারিয়া কেন্দ্র দখল করে ১২ টার মধ্যে সিল মেরে  ধানের শীর্ষ প্রতিকের ভোট নিশ্চিত করেন। পরে চর শিশুয়া কেন্দ্র দখল করে সিল মেরে ভোট নেওয়ার চেষ্টা করিলে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা বাধা দিলে তাদের ওপর হামলা করে। পরবর্তীতে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী, বর্তমান তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মুরাদ হাসান চর শিশুয়া কেন্দ্রে পৌছালে রফিকুল ইসলামের সহযোগিতায় তার ওপর হামলা চালানো হয়।  এলাকাবাসী ও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের অভিযোগ,চর ছাতারিয়া গ্রামের শুক্কুর মন্ডলের পুত্র রফিকুল ইসলাম ১৯৯৪ সাল থেকে  সাল থেকে যুবদলের কর্মী।  ১৯৯৮ সাল থেকে  সাতপোয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি হিসেবে  দায়িত্ব পালন করেছেন। বিএনপি দীর্ঘদিন ক্ষমতা থাকায় তার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগের অনেক নেতাকর্মীর ওপর হামলা করা হয়।  ২০১৫ সালে ফুলের মালা দিয়ে আবারো আওয়ামীলীগে যোগদান করেন। যখন যে দল ক্ষমতায় আসে সে দলে যোগ দিয়ে সুবিধা করে থাকে।  নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকে অভিযোগ করে এ প্রতিবেদককে বলেন, রফিকুল ইসলাম সাহেব সাবেক ইউনিয়ন  ছাত্রলীগের সভাপতি তারপর  বিএনপিতে যোগ দিয়ে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদ পায়। তারপর ২০১৫ সালে আবার আওয়ামীলীগে যোগ দান  করে। যখন যে দল আসে সে দলে যোগ দিয়ে সুবিধা আদায় করে । আমরা এলাকাবাসী এর নিন্দা জানাচ্ছি।  তারা আরো বলেন,  কোন অনুপ্রবেশকারী যেন দলের মনোনয়ন না পায় সে বিষয়ে সরিষাবাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগ, জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগ এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ ও  আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি কামনা করছি।
কথা হলে সাতপোয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলাল তরফদার বলেন,  রফিকুল ইসলাম মাষ্টার ১৯৯৮ সালে যুবদলের সভাপতি ও আমি সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেছি। যুবদলের সভাপতি রফিক ও সাধারণ সম্পাদক আমি ২ বার কমিটি পেয়ে যুবদলকে ঐক্যবদ্ধ করি। পরে জরুরী আইন আসলে দীর্ঘদিন যোগাযোগ ছিল না। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমরা এক সাথে বিএনপির ডাকা বিভিন্ন কর্মসুচীতে অংশ গ্রহণ করেছি। যুবদল থেকে পদত্যাগ না করেই  তিনি ২০১৫ সালে আওয়ামীলীগে যোগদান করেন। এ বিষয়ে রফিকুল ইসলাম মাষ্টারের নাম্বারটি বন্ধ থাকায়  ফোনে পাওয়া যায়নি। কথা হলে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট আব্দুর রউফ গফুর জানান, আমাদের ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের প্রার্থী অনেকেই রয়েছে। রফিকুল ইসলাম মাষ্টারের বিষয়ে প্রশ্ন করিলে তিনি বলেন, রফিক সাহেব সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি, পরে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৫ সালে আওয়ামীলীগে যোগদান করেন। সম্প্রতি তাকে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা সরকারী গোয়েন্দা সংস্থা ও তার ব্যক্তিগত সংস্থা দিয়ে সকল প্রার্থীদের খোজ খবর নিচ্ছে জানিয়ে সরিষাবাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ছানোয়ার হোসেন বাদশা বলেন,কার কি অবস্থান,অতীত কেমন সব কিছু দেখেই আওয়ামীলীগ মনোনয়ন দেয়। মনোনয়ন সবাই চাইতে পারে কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনা একজনকে মনোনয়ন দিবেন৷ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাচাই বাচাই করে যে প্রার্থীর সিদ্ধান্ত নিবে, সেই সিদ্ধান্তের প্রার্থীকে বিজয়ী করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।  এ বিষয়ে কথা হলে জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি  এডভোকেট বাকী বিল্লাহ জানান, অন্য দল থেকে যারা আওয়ামীলীগে যোগ দিয়েছে তাদেরকে যোগ দানের তারিখ হইতে ৩ বছর অপেক্ষা করতে হবে।  তবে আমরা যাচাই বাচাই করে উপযুক্ত,দলের কর্মীদের কাছে গ্রহণ যোগ্যতা রয়েছে, ইমেজ কোন গার্তি নেই  এমন প্রার্থী থাকবে  । কিন্তু নমিনেশন আমাদের হাতে নেই। নমিনেশন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে  ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From Ashraftech.Com
AshrafTech