১০ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ভোর ৫:৫৩
ব্রেকিং নিউজ
ভোলায় শেখ ফজলুল হক মনি’র ৮৪ তম জন্মদিন পালিত অসুস্থ স্বামীকে বাঁচানোর জন্য স্ত্রীর সাহায্যের আবেদন লর্ডহার্ডিঞ্জ ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসায় ২০২২ সালের আলিম পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া বোরহানউদ্দিনে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সংবাদ সংম্মেলন দলের বিরুদ্ধে নির্বাচন করেও ভালুকা ১নং উথুরা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী রাজিব মন্ডল ভোলার সমৃদ্ধি কর্মসুচির আওতায় বিনামূল্যে দিনব্যাপি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত বিয়ে করে একাধিক স্বামীর নিকট মোহরানা আদায় করেন শাহনাজ পারভীন বাঐসোনা কামশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত বোরহানউদ্দিনে বিদ্যালয়ের সোলারের ব্যাটারী বিক্রি করে দিয়েছে প্রধান শিক্ষক ভোলায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেখ রাসেল এর ৫৯ জন্মদিন পালিত

ভোলার দৌলতখানের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মদনপুরে ১০ হাজার মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৪, ২০২১,
  • 307 Time View

ফাতেমা আক্তার জিতু, ষ্টাফ রিপোর্টার ।
ভোলার দৌলতখানের চর মদরপুর ইউনিয়নে ১০ হাজার মানুষ বসবাস করলেও স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত তারা। একটি কমিউনিটি ক্লিনিক থাকলেও সেখানে নেই ডাক্তার। তবে বেসরকারি এনজিওর সহযোগিতায় একজন কলেজ ছাত্রী মাসে এক বার ইউনিয়নবাসীকে ১০ টাকার বিনিময় ঔষধ দিলেও দিতে পারছেন না চিকিৎসা। ফলে চিকিৎসার জন্য হাজার হাজার টাকা খরচে ট্রলার ভাড়া করে যেতে হয় হাসপাতালে। অনেক সময় পথে মারা যায় প্রসুতি মা।
তবে চর মদনপুর ইউনিয়নের মানুষের কথা চিন্ত করে জরুরি একটি নৌ এ্যাম্বুলেন্স দিয়েছেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল। শিগ্রই ১০ শ্যার্যার একটি হাসপাতাল স্থাপনের প্রতিশ্রিুতি দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল।
ভোলার দৌলতখান উপজেলার চর মদনপুর ইউনিয়নটি ১৯৮০ সালের দিকে মেঘনা নদীর ভাঙনের কারণে বিলীন হয়ে যায়। ১৯৯৪ সালের দিকে আবার জেগে উঠে। এপর ২০০১ সাল থেকে নদীতে ঘর-বাড়ি ও জমি-জমা হারানো হাজার হাজার মানুষ ওই চরে বাসবাস শুরু করে। বর্তামানে ১৬ বর্গ মাইল নিয়ে এ ইউনিয়ন। এখানে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ বসবাস করছেন। এখানকার মানুষের আয়ের প্রধান উৎস্য কৃষি ও মৎস্য শিকার।
এতো মানুষের বসবাস থাকলেও আজও এখানে গড়ে উঠেনি কোন হাসপাতাল। ফলে প্রতিনিয়ত মানুষ স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। গ্রামের হাতুরে ডাক্তার দিয়ে চরে তাদের স্বাস্থ্য সেবা। কয়েক বছর আগে একটি ক্লিনিক গড়ে উঠলেও দেয়া হয়নি কোন চিকিৎসক। কারিতাস নামের একটি বেসকারি উন্নয়ন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রতি মাসে একবার ওই ক্লিনিকে একজন কলেজ ছাত্রী ১০ টাকার বিনিময়ে সর্দি কাশির মত সাধারণ রোগের ঔষধ দিয়ে থাকে। ফলে বড় ধরনের কোর রোগ বালাইতে পড়লে চরবাসীকে চিকিৎসার নেয়ার জন্য দৌলতখান বা ভোলা সদর হাসপাতালে যেতে হয়। উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিয়ে যাওয়া দুরুহ হয়ে পড়ে। তা ছাড়া বাড়তি টাকার প্রশ্নতো থেকেই যায়। এতে গরীব মানুষের মধ্যে অনেকটাই অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনেক সময় প্রসূতি মায়েদের হাসপাতালে নিতে দেরি হলে চরে কিংবা হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যায়।

এদিকে এ চরে মানুষের চিকিৎসার প্রদানের জন্য হাসপাতাল ও ডাক্তারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় এ ইউপি সদস্য।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From Ashraftech.Com
AshrafTech