২৬শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ রাত ৪:৩৬
ব্রেকিং নিউজ
অসুস্থ স্বামীকে বাঁচানোর জন্য স্ত্রীর সাহায্যের আবেদন লর্ডহার্ডিঞ্জ ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসায় ২০২২ সালের আলিম পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া বোরহানউদ্দিনে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সংবাদ সংম্মেলন দলের বিরুদ্ধে নির্বাচন করেও ভালুকা ১নং উথুরা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী রাজিব মন্ডল ভোলার সমৃদ্ধি কর্মসুচির আওতায় বিনামূল্যে দিনব্যাপি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত বিয়ে করে একাধিক স্বামীর নিকট মোহরানা আদায় করেন শাহনাজ পারভীন বাঐসোনা কামশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত বোরহানউদ্দিনে বিদ্যালয়ের সোলারের ব্যাটারী বিক্রি করে দিয়েছে প্রধান শিক্ষক ভোলায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেখ রাসেল এর ৫৯ জন্মদিন পালিত ভোলায় সাংবাদিক পরিবার ৪ দিন ঘরে অবরুদ্ধ বাড়ি যেতে পারছেনা শিশু সন্তান মানবেতর জীবনযাপন

ভোলার দক্ষিণ দীঘলদির মাও শিশু কল্যান কেন্দ্রের পরিদর্শিকা পলির কাছে জিম্মি প্রসূতি মায়েরা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৮, ২০২২,
  • 108 Time View

জসিম রানা, ভোলা।
ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দীঘলদি ইউনিয়নের ফাতেমা খানম মাও শিশু কল্যান কেন্দ্রের পরিদর্শিকা পলি বেগমের কাছে জিম্মি ওই এলাকার প্রসূতি মায়েরা। অভিযোগ উঠেছে, পরিদর্শিকা পালি দীর্ঘদিন যাবৎ প্রতিজন প্রসূতি মাকে ডেলিভারি করাতে চুক্তি ভিত্তিক হাতিয়ে নিচ্ছে ৫/৬ হাজার টাকা করে। এ ব্যাপারে কেউ প্রতিবাদ করতে গিয়ে বার বার লাঞ্চিত হতে হয়েছে তার হাতে। সে এলাকায় বীরদর্পে বলে বেড়াচ্ছে, আমি নেতার আত্মিয় কেউ আমার ক্ষতি করতে পারবে না। তাই বাধ্যতামূক পলির হাতে জিম্মি হয়ে রয়েছে ওই এলাকার প্রসূতি মাসহ অন্যান্য রোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, দক্ষিণ দীঘলদি ইউনিয়নের জনগনের স্বাস্থ্য সেবায় জন্য ৬৯এর গণ অভ্যূত্থানের মহা নায়ক, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী, ভোলার উন্নয়নের রূপকার, ভোলার অভিবাবক, ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ ওই ইউনিয়নে তার মায়ের নামে ফাতেমা খানম মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র নামে একটি ক্লিনিক স্থাপন করেছেন। তার মূল উদ্দেশ্য ছিলো, এ ক্লিনিকের মাধ্যমে এলাকার প্রসূতি মাদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা। কিন্তু চোর না মানে ধর্মের কাহিনী। নেতার লক্ষ উদ্দেশ্যকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ওই ক্লিনিকে রাম রাজত্ব কায়েক করছে পরিদর্শিকা পলি বেগম।
ওই এলকার আমির হোসেন, আবদুল মালেক, ওমর ফারুক, আয়শা আক্তার, সোনিয়া বেগম, সেতারা বেগমসহ আরো আনেকে জানান, পলি ম্যাডাম টাকা ছাড়া ওই ক্লিনিকে কাউকে কোন সেবা প্রদান করে না। বিশেষ করে প্রতিটি প্রসুতি মাদেরকে ডিলিভারি করাতে তার হাতে নগদ তুলে দিতে হয় ৫/৬ হাজার টাকা করে। কেউ টাকা না দিলে বা টাকা কম দিলে সে তাদের সাথে অত্যান্ত খারাপ ব্যবহার করে। তাকে ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারে না। সে জোড় গলায় সবাইকে বলে নেতা আমার আত্মিয়। আমার হাত অনেক লাম্বা। কেউ আমার কিছু করতে পারবে না। এ ভাবে অবৈধ পথে ঘূষ বাণিজ্য করে পলি ম্যাডাম শুন্য থেকে কোটিপতি হয়ে গেছে।
এমাতাবস্থায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন দক্ষিণ দীঘলদি ইউনিয়নের সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From Ashraftech.Com
AshrafTech