১২ই আগস্ট, ২০২২ ইং বিকাল ৫:২৬
ব্রেকিং নিউজ
বিএনপি ১৪ বছর ধরে রাজপথ দখলের কথা বলছে রাজপথ দখল করা অত সহজ নয়- তোফায়েল আহমেদ  শোকের মাতমে ভোলার আকাশ বাতাস প্রকম্পিত, ভোলায়  আলমের  দাফন সম্পন্ন ভোলায় তোফায়েল আহমেদ ও এমপি মুকুলের সম্মান হানীর প্রতিবাদ ছাত্রলীগের সংবাদ সম্মেলন ভোলায় পুলিশ বিএনপি সংঘর্ষে নিহত-১, পুলিশসহ অর্ধ শতাধিক আহত, আটক-৬ প ভোলায় নিউজ টুয়েন্টি ফোর এর ৭ম বর্ষে পদার্পণ উৎসব পালিত ভোলায় বাপ ছেলেকে কুপিয়ে জখম করেছে রেকর্ড রুমের দালাল ইউসুফ ভোলা মডেল থানার উদ্যোগে মাদক, ইভটিজিং প্রতিরোধ সভা ও সিসি ক্যামারা স্থাপণ দৌলতখানে প্রধানমন্ত্রীর উপহার গৃহহীন ও ভূমিহীনদের ঘর নির্মাণে অনিয়ম ও দূর্নীতি অভিযোগ লালমোহন ও তজুমদ্দিনে ভূমিহীন ৪৪০ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঘরের চাবি হস্তান্তর দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনে ৩১৪ ভূমিহীন পরিবার পেলর্ প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর

ভোলার দক্ষিণ দীঘলদির মাও শিশু কল্যান কেন্দ্রের পরিদর্শিকা পলির কাছে জিম্মি প্রসূতি মায়েরা

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, April 28, 2022,
  • 68 Time View

জসিম রানা, ভোলা।
ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দীঘলদি ইউনিয়নের ফাতেমা খানম মাও শিশু কল্যান কেন্দ্রের পরিদর্শিকা পলি বেগমের কাছে জিম্মি ওই এলাকার প্রসূতি মায়েরা। অভিযোগ উঠেছে, পরিদর্শিকা পালি দীর্ঘদিন যাবৎ প্রতিজন প্রসূতি মাকে ডেলিভারি করাতে চুক্তি ভিত্তিক হাতিয়ে নিচ্ছে ৫/৬ হাজার টাকা করে। এ ব্যাপারে কেউ প্রতিবাদ করতে গিয়ে বার বার লাঞ্চিত হতে হয়েছে তার হাতে। সে এলাকায় বীরদর্পে বলে বেড়াচ্ছে, আমি নেতার আত্মিয় কেউ আমার ক্ষতি করতে পারবে না। তাই বাধ্যতামূক পলির হাতে জিম্মি হয়ে রয়েছে ওই এলাকার প্রসূতি মাসহ অন্যান্য রোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, দক্ষিণ দীঘলদি ইউনিয়নের জনগনের স্বাস্থ্য সেবায় জন্য ৬৯এর গণ অভ্যূত্থানের মহা নায়ক, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী, ভোলার উন্নয়নের রূপকার, ভোলার অভিবাবক, ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ ওই ইউনিয়নে তার মায়ের নামে ফাতেমা খানম মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র নামে একটি ক্লিনিক স্থাপন করেছেন। তার মূল উদ্দেশ্য ছিলো, এ ক্লিনিকের মাধ্যমে এলাকার প্রসূতি মাদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা। কিন্তু চোর না মানে ধর্মের কাহিনী। নেতার লক্ষ উদ্দেশ্যকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ওই ক্লিনিকে রাম রাজত্ব কায়েক করছে পরিদর্শিকা পলি বেগম।
ওই এলকার আমির হোসেন, আবদুল মালেক, ওমর ফারুক, আয়শা আক্তার, সোনিয়া বেগম, সেতারা বেগমসহ আরো আনেকে জানান, পলি ম্যাডাম টাকা ছাড়া ওই ক্লিনিকে কাউকে কোন সেবা প্রদান করে না। বিশেষ করে প্রতিটি প্রসুতি মাদেরকে ডিলিভারি করাতে তার হাতে নগদ তুলে দিতে হয় ৫/৬ হাজার টাকা করে। কেউ টাকা না দিলে বা টাকা কম দিলে সে তাদের সাথে অত্যান্ত খারাপ ব্যবহার করে। তাকে ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারে না। সে জোড় গলায় সবাইকে বলে নেতা আমার আত্মিয়। আমার হাত অনেক লাম্বা। কেউ আমার কিছু করতে পারবে না। এ ভাবে অবৈধ পথে ঘূষ বাণিজ্য করে পলি ম্যাডাম শুন্য থেকে কোটিপতি হয়ে গেছে।
এমাতাবস্থায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন দক্ষিণ দীঘলদি ইউনিয়নের সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From Ashraftech.Com
AshrafTech