২৪শে জুলাই, ২০২১ ইং সকাল ৬:৩২
ব্রেকিং নিউজ
ভোলা পৌরসভার মেয়র মনিরুজ্জামানের বাবা আসাদুজ্জামানের জানাজায় মানুষের ঢল রসুলপুরের মানবিক চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম পন্ডিত’র ঈদের শুভেচ্ছা শশীভূষণ থানা ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক হাজী সোহেল’র অগ্রিম ঈদ শুভেচ্ছা বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা দেশের আলেম সমাজকে সম্মানিত করেছেন-এমপি শাওন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সবার জন্য ভ্যাকসিন নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার-এমপি মুকুল ভোলা ডায়াগনস্টিক সমিতির সভাপতির মাযের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ তজুমদ্দিনের ৩ ইউনিয়নের ৭ হাজার অসহায়দের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ করেছেন এমপি শাওন দৌলতখানে শিক্ষক সমাজের নব-নির্বাচিত কমিটি এমপি মুকুল’কে ফুলের শুভেচ্ছা বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখানে হতদরিদ্রদের মাঝে প্রধান মন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন, এমপি মুকুল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সফল রাষ্ট্র নায়ক,এমপি মুকুল

নৌ অধিদপ্তরের দুর্নীতিবাজদের কঠোর শাস্তি দাবি

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, July 25, 2017,
  • 313 Time View

প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত নৌপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের স্বার্থে নৌপরিবহন অধিদপ্তরকে সকল ধরনের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতিমুক্ত করার দাবি জানিয়েছে কয়েকটি সামাজিক সংগঠন।অবিলম্বে অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সম্পদের হিসাব প্রকাশ এবং প্রকৃত দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়েছেন এসব সংগঠনের নেতারা।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে পরিবেশ ও নাগরিক অধিকার সংরক্ষণবিষয়ক চারটি সংগঠন এই দাবি জানায়। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হাতে নৌ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী গ্রেপ্তার হওয়ার পর নৌ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির ভাবমূর্তি উদ্ধার এবং কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এই দাবি উত্থাপন করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এতে বলা হয়, বছরের পর বছর ঢাকায় বসে বিভিন্ন স্থানের নৌযানের ভৌতিক সার্ভে (ফিটনেস পরীক্ষা) ও নিবন্ধনসহ অভ্যন্তরীণ নৌযানের মাস্টারশিপ ও ড্রাইভারশিপ (মাস্টার ও চালক) পরীক্ষা, নৌযানের নকসা অনুমোদন, বে-ক্রসিংয়ের (উপকূল অতিক্রম) অনুমতি প্রদান, সমুদ্রগামী জাহাজের নাবিকদের নামে সিডিসি (ধারাবাহিক অব্যাহতিপত্র) ইস্যু ও তাদের যোগ্যতা নির্ধারণী পরীক্ষায় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে বহুবার প্রকাশিত হয়েছে।

মাস্টার ও ড্রাইভারদের নামে শত শত জাল সনদ ইস্যু এবং সরকারি সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করে বিদেশগামী নাবিকদের নামে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর করা বেআইনি ‘এনওসি’ (অনাপত্তির সনদ) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকের চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশিত হয়েছে বেশ কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে। এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িতদের নামও এসেছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি এসব অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে গত বছর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন এবং একই অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য দুদক একজন অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করলেও আজ পর্যন্ত কোনো তদন্ত প্রতিবেদনই আলোর মুখ দেখেনি বলে বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, শুধু প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই দুর্নীতি বন্ধ হবে না, জাহাজের নকসা অনুমোদনে ‘ঘুষ লেনদেন’ যদি আগে থেকেই প্রচলিত থাকে তাহলে ‘নকসা অনুমোদন কমিটি’র সকল সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। এ ছাড়া দুদকের কাছে অভিযোগকারী কথিত ঘুষদাতা ‘বেঙ্গল মেরিন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসেস’ এর অথরাইজড কর্মকর্তা এ এন এম বদরুল আলমকেও (রাতুল) জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। কারণ, নকসা প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০০৭ সালে নৌ অধিদপ্তরে তালিকাভুক্ত বেঙ্গল মেরিন এ পর্যন্ত দুই শতাধিক নকসা অনুমোদন করিয়ে নিলেও তিনি এতদিন দুদকের কাছে কেনো অভিযোগ করেননি, তা স্পষ্ট হওয়া দরকার। নকসা অনুমোদনে ঘুষ কেলেঙ্কারির সঠিক রহস্য উদঘাটন এবং জঘন্যতম এ কাজের সঙ্গে জড়িত সকলের মুখোশ উন্মোচনের স্বার্থে বদরুলকেও আইনের আওতায় এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানান বিবৃতিদাতারা।

নৌ মন্ত্রণালয় ও নৌ অধিদপ্তরের উদ্দেশে প্রশ্ন উত্থাপন করে বিবৃতিদাতারা বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার’ (প্রকৌশলী ও জাহাজ জরিপকারক) এর একটি পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকলেও নৌ নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ পদে কেনো স্থায়ী নিয়োগ হচ্ছে না? এ ছাড়া রীতি ভঙ্গ করে কোনো কোনো কর্মকর্তাকে একসঙ্গে ৩-৪টি গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন ও ‘চার্টার অব ডিউটিজ’ লঙ্ঘন করে ৭-৮টি দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে এবং অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে ও ঢাকায় নিজ বাসায় নিয়মিত অবস্থানকারী চিহ্নিত কর্মকর্তাদের কেনো ঢাকার বাইরের কার্যালয়ে শিপ সার্ভেয়ারের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে-সে প্রশ্নও তোলেন তারা।

বিবৃতিদাতারা হলেন-নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে, সিটিজেন রাইট মুভমেন্টের সভাপতি মেজর (অব.) মো. মফিজুল হক সরকার, যাত্রী অধিকার পরিষদের সভাপতি তুসার রেহমান ও উন্নয়ন ধারা ট্রাস্টের সদস্যসচিব আমিনুর রসুল বাবুল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From Ashraftech.Com
AshrafTech